চলতি বছর 2023 সালে SSC ও সমানের পরীক্ষায় ৪৮ টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে পাশ করেনি কোন শিক্ষার্থী, যার মধ্যে ৪১ টি হল মাদ্রাসা

নামে মাত্র পরীক্ষার্থী অথছো এসব বিদ্যারয়ের পড়া শুনার ধারে কাছেও নেই কোন শিক্ষার্থী, রয়েছে শিক্ষক ও অভিভাবকদের গাফেলতি।

নামে মাত্র শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গুলোতে পড়া শুনার নামে হচ্ছে যা তা মাদ্রাসা সহ এমন মোট ৪৮ টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান যেখান থেকে

তারা পাশ করাতে সক্ষম হয়নি একজন শিক্ষার্থীও। একটি বিদ্যালয় থেকে পরীক্ষা দিয়েছে ১ জন শিক্ষার্থী কিন্তু পাশ করেনি,

অন্য একটি মাদ্রাসায় পরীক্ষার্থী ছিল তিন জন পাশ করেনি এক জনো। ২১ জন পরীক্ষা দিয়েছে সবাই ফেল, চলতি বছর SSC ও

সমানের পরীক্ষায় দেশের মোট ৪৮ টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে পাশ করেনি কেউ। আর এসকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান আবার কোন কোনটি এমপিওভুক্ত,

যার শিক্ষক ও কর্মচারিরা সরকারি ভাবে মূল বেতন ও ভাতা পেয়ে থাকে। গত বছর পাশ করেনি এমন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ছিলো ৯টি।

বর্তমানে এসকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গুলোর উপর উঠেছে নানা ধরনের প্রশ্ন, প্রথমতো এই সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গুলো এতো কম

সংখক ছাত্র ছাত্রি নিয়ে কিভাবে পরিচালনা করে, শিক্ষা বিভাগ কসের উপর ভিত্তি করে এগুলোর শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা করার স্বীকৃতি দেয়।

এমন অভিযো রয়েছে অনেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এর উপর এধরনের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গুলোতে কোন ধরনের পরাশুনা হচ্ছে না।

এ বিষয় নিয়ে গত শুক্রাবর ফলাফল প্রকাশের দিন এক সংবাদ সম্মেলনে এক প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী ডাঃ দীপু মনি বলেন

এমন প্রতিষ্ঠান গুলো তারা তাদের সমস্য গুলো উদঘাটন করে ভবিষ্যতে যেন ভালো ফলাফল করতে পারে সেই চেস্টা অব্যহত থাকবে।

আরো পড়ুনঃ খেলা সম্পর্কি নতুন নতুন আরো তথ্য পেতে

এছারাও চলতি বছর ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ২টি বিদ্যালয় থেকে পাশ করেনি কোন শিক্ষার্থী এর মধ্যে একটি হল গোপালগঞ্জের

মুকছুদপুরের পূর্ব লখন্ডা জিরাতলী উচ্চবিদ্যালয়। সে খান থেকে ১২ জন পরীক্ষা দিয়েছিল কিন্ত কেউ পাশ করতে পারেনি,

বিদ্যালয় গিয়ে দেখা যায় সেখানে নেই কোন শিক্ষক বিদ্যালয়টি টিনের বেড়া দিয়ে ঘেরা। পরবর্তীতে দেখা হয় সেখান কার

বিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা কমিটি সদস্য তারাপদ মন্ডেলের সাথে তিনি জানায় বিদ্যালয় খারাপ ফলাফল হওয়ার যথেষ্ট কারন রয়েছে,

গ্রমে আরো সুনামধন্য ৩টি বিদ্যালয় রয়েছে ভালো ও মেধাবী শিক্ষার্থীরা সে সব বিদ্যালয় চলে যায়, আর না পারা কিছু শিক্ষার্থী

এখানে থেকে যায় তাছারা বিদ্যালয় এর শিক্ষক ও অভিভাবকদেরও অবহেলা রয়েছে যার কারনে বিদ্যালয় ফলাফল খারাপ হয়ে আসছে।

বাকি মাদ্রাসা ও বিদ্যালয় গুলোর অবস্থা

চলতি বছর শিক্ষা বোর্ডে পাওয়া বিভিন্য তথ্য অনুযাই রাজসাহী শিক্ষা বোর্ডের অধীনে তারাপুর হাইস্কুল থেকে ৪ জন,

দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ডের অধীনে কুমারপুর হাইস্কুল থেকে ১ জন, যশোর শিক্ষা বোর্ডের অধীনে উদায়ন মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে ৪ জন,

যশোর শার্শা উপজেলার সাড়াতলা মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয় থেকে ৮ জন শিক্ষার্থীরা পরীক্ষা দিয়েছিল তবে তাদের কেউ পাশ করেনি।

MD Tofayel

View all posts

Add comment